বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক পরিচালকের কাছ থেকে অস্বস্তিকর ও ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। তার দাবি, একপর্যায়ে মদ্যপ অবস্থায় গভীর রাতে তার কক্ষের দরজায় গিয়ে বারবার ধাক্কা দিতে থাকেন ওই পরিচালক। এমনকি দরজা ভেঙে ফেলতে পারেন—এমন আশঙ্কাতেও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।
সম্প্রতি রিয়্যালিটি শো ‘রাইজ অ্যান্ড ফল ২’-এ সহপ্রতিযোগীদের সঙ্গে আলাপকালে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানান স্বরা।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘তনু ওয়েডস মনু’ ছবির সাফল্যের পরপরই ঘটনাটি ঘটে। তখন তিনি বিশের কোঠায়। একটি ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য টানা ৫৬ দিন শুটিং করার কথা ছিল তার।
স্বরা জানান, ওই ছবির পরিচালক শুরুতেই তাকে বলেছিলেন, পরিচালকদের তাদের অভিনয়শিল্পীদের ভালোবাসতে হয়। এরপর তিনি স্বরার সৌন্দর্য নিয়ে কবিতা লিখে বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিচালকের এই আচরণ তার কাছে অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে পরিচালক স্বরাকে একান্তে একটি রোমান্টিক দৃশ্যের মহড়া দেওয়ার প্রস্তাব দেন। মহড়ার সময় আর কেউ উপস্থিত থাকবেন কি না জানতে চাইলে পরিচালক জানান, সেখানে শুধু তারা দুজন থাকবেন। এতে আপত্তি জানান স্বরা। তার মতে, এ ধরনের মহড়ায় সহ-অভিনেতা ও ক্যামেরা বিভাগের সদস্যদের উপস্থিত থাকা উচিত।
অভিনেত্রী আরও জানান, তারা যে অতিথিশালায় অবস্থান করছিলেন, সেখানে একমাত্র নারী ছিলেন তিনি। পরে পরিচালক ও চিত্রগ্রাহককে মদ্যপ অবস্থায় দেখতে পান। পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে যত দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
তবে সেখানেও শেষ হয়নি ঘটনা। স্বরার দাবি, রাতে মদ্যপ অবস্থায় ওই পরিচালক তার কক্ষের দরজায় বারবার ধাক্কা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ফেলা হতে পারে বলে ভয় পেয়ে যান তিনি।
স্বরা জানান, একসময় দরজা খুললে টলতে টলতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিচালক তাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। তিনি সরাসরি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু এরপরও পরিচালক বারবার একই আবদার করতে থাকেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিনি পরিচালককে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে তার আচরণে তিনি ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু ছবির পরিচালক হওয়ার কারণে সেই পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছিল তার।
তবে এত বছর পরও সেই ঘটনার কথা প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট পরিচালকের নাম কিংবা ছবিটির পরিচয় জানাননি স্বরা ভাস্কর।
২০০৯ সালে ‘মাধোলাল কিপ ওয়াকিং’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় স্বরার। পরবর্তী সময়ে ‘তনু ওয়েডস মনু’, ‘রাঞ্ঝানা’, ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ ও ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এর মতো ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পরিচিতি পান তিনি।
সম্প্রতি রিয়্যালিটি শো ‘রাইজ অ্যান্ড ফল ২’-এ সহপ্রতিযোগীদের সঙ্গে আলাপকালে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানান স্বরা।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘তনু ওয়েডস মনু’ ছবির সাফল্যের পরপরই ঘটনাটি ঘটে। তখন তিনি বিশের কোঠায়। একটি ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য টানা ৫৬ দিন শুটিং করার কথা ছিল তার।
স্বরা জানান, ওই ছবির পরিচালক শুরুতেই তাকে বলেছিলেন, পরিচালকদের তাদের অভিনয়শিল্পীদের ভালোবাসতে হয়। এরপর তিনি স্বরার সৌন্দর্য নিয়ে কবিতা লিখে বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিচালকের এই আচরণ তার কাছে অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে পরিচালক স্বরাকে একান্তে একটি রোমান্টিক দৃশ্যের মহড়া দেওয়ার প্রস্তাব দেন। মহড়ার সময় আর কেউ উপস্থিত থাকবেন কি না জানতে চাইলে পরিচালক জানান, সেখানে শুধু তারা দুজন থাকবেন। এতে আপত্তি জানান স্বরা। তার মতে, এ ধরনের মহড়ায় সহ-অভিনেতা ও ক্যামেরা বিভাগের সদস্যদের উপস্থিত থাকা উচিত।
অভিনেত্রী আরও জানান, তারা যে অতিথিশালায় অবস্থান করছিলেন, সেখানে একমাত্র নারী ছিলেন তিনি। পরে পরিচালক ও চিত্রগ্রাহককে মদ্যপ অবস্থায় দেখতে পান। পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে যত দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
তবে সেখানেও শেষ হয়নি ঘটনা। স্বরার দাবি, রাতে মদ্যপ অবস্থায় ওই পরিচালক তার কক্ষের দরজায় বারবার ধাক্কা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ফেলা হতে পারে বলে ভয় পেয়ে যান তিনি।
স্বরা জানান, একসময় দরজা খুললে টলতে টলতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিচালক তাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। তিনি সরাসরি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু এরপরও পরিচালক বারবার একই আবদার করতে থাকেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিনি পরিচালককে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে তার আচরণে তিনি ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু ছবির পরিচালক হওয়ার কারণে সেই পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছিল তার।
তবে এত বছর পরও সেই ঘটনার কথা প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট পরিচালকের নাম কিংবা ছবিটির পরিচয় জানাননি স্বরা ভাস্কর।
২০০৯ সালে ‘মাধোলাল কিপ ওয়াকিং’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় স্বরার। পরবর্তী সময়ে ‘তনু ওয়েডস মনু’, ‘রাঞ্ঝানা’, ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ ও ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এর মতো ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পরিচিতি পান তিনি।
বিনোদন ডেস্ক